৭১

কুড়িগ্রামের রাজারহাটের বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের রামহরি মৌজার চতুরা গ্রামের বাসিন্দা ইদ্রিস আলী। তিস্তা নদীর তীরেই তার বসতভিটা। এই নদীকে কেন্দ্র করেই চলে যার জীবিকা, সেই নদীই ভেঙে নিল তার শেষ সম্বলটুকু। কয়েক দিনের বৃষ্টিতে পানি বেড়ে তিস্তা ছিল উত্তাল। ভাঙনের আশঙ্কা করছিলেন স্থানীয়রা। এর মধ্যেই শুক্রবার সকালে মুহূর্তের ব্যবধানে ইদ্রিস আলীর ভিটে চলে যায় তিস্তার গর্ভে। এ অবস্থা তার প্রতিবেশী শহিদুল হক ও আতাউল ইসলামেরও। এ ছাড়া আরও অন্তত ২৫টি পরিবারও রয়েছে চরম ঝুঁকিতে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শতকোটি টাকা ব্যয়ে চলমান ৪০টি প্যাকেজের কাজের ধীরগতিই এর কারণ