১৯৯

পারস্য উপসাগর ঘিরে ইরান ও মার্কিন-ইসরাইলি জোটের উত্তেজনা নতুন করে চরমে উঠেছে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে পরিস্থিতি আরও নাটকীয় মোড় নিয়েছে।

গত ৪ মার্চ শ্রীলঙ্কার উপকূলে মার্কিন হামলায় ইরানি ফ্রিগেট ‘আইআরআইএস ডেনা’ ডুবিয়ে দেওয়ার ঘটনার পর এর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। এবার সরাসরি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’-কে লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

ইরানি নৌবাহিনীর প্রধান শাহরাম ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় এলেই ‘সি-টু-সি’ মিসাইল হামলার মাধ্যমে ‘ডেনা’র নিহত নাবিকদের প্রতিশোধ নেওয়া হবে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ক্ষেত্রে ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। অন্যদিকে, ‘ডেনা’ ডুবির ঘটনায় বহু ইরানি নাবিক নিহত হওয়ায় বিষয়টি তেহরানের জন্য বড় ধরনের আবেগ ও প্রতিক্রিয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবাহিত হওয়ায়, এতে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিকে আলোচনার কথা বললেও, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের খবর পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছেই, আর পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বাড়ছে উদ্বেগ।