৪৫

নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির গঠনতন্ত্রের ৬২ ধারা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি দ্রুতই নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করা হবে বলে জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সংসদ সদস্য পদ নিয়ে অনিশ্চয়তা ও উপনির্বাচনের গুঞ্জন

দল থেকে বহিস্কারের পর গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না—তা নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন থেকে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হলে সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর এই সম্ভাব্য উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।

উপনির্বাচনে লড়ার ঘোষণা হিরো আলমের

এক অডিওবার্তায় হিরো আলম জানান, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনি যেকোনো উপনির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, “আমার অনেক দিনের স্বপ্ন এমপি হওয়া। আমি চেয়েছিলাম, যদি কখনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে আমি নির্বাচনে দাঁড়াব। এখন যেখানেই উপনির্বাচন হবে, সেখানেই অংশ নেব। এবার দেখি জনগণ কী সিদ্ধান্ত নেয়।”

নিজের নির্বাচনী অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি আরও উল্লেখ করেন, এর আগেও তিনি একাধিক নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এবং বিভিন্ন সময় হামলা ও বাধার মুখে পড়েছেন। এবার একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণের আসল সমর্থন যাচাই করতে চান তিনি।

হিরো আলমের রাজনৈতিক সফর

বগুড়ার একজন ক্যাবল ব্যবসায়ী থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত মুখ হয়ে ওঠা হিরো আলম পরবর্তীতে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ২০১৮ ও ২০২৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি সারা দেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেন। এছাড়া ঢাকার আসনসহ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে ‘আমজনতা’ দলের হয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সংসদ সদস্য হওয়ার ইচ্ছা তিনি প্রকাশ করে আসছেন বারবার।