১২৪

প্রতিবেদন:

রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণপরিবহন অবকাঠামো মেট্রোরেল। কোটি টাকার এই আধুনিক প্রকল্প নগরবাসীর যাতায়াতকে সহজ করলেও এর বিভিন্ন স্টেশনের নিচের অংশ ধীরে ধীরে অবৈধ দখল ও অনিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের শিকার হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, মিরপুর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচতলাও এখন অবৈধ দোকান, হকার ও অস্থায়ী স্থাপনার দখলে চলে যাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্টেশনের নিচের ফাঁকা জায়গা ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ভ্রাম্যমাণ দোকান, চায়ের স্টল, খাবারের দোকান ও অস্থায়ী ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। এতে পথচারীদের চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্টেশনের সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মেট্রোরেল স্টেশনগুলো কেবল যাত্রীসেবা ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু এসব স্থানে অবৈধ দখলদারিত্ব বৃদ্ধি পেলে অগ্নিকাণ্ড, দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়তে পারে।

সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরা অঞ্চলের কয়েকটি মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। সংস্থাটি জানিয়েছে, স্টেশনের নিচে অবৈধ হকার ও ভাসমান দোকান পরিচালনার সুযোগ নেই এবং প্রয়োজন হলে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, মেট্রোরেল দেশের আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতীক। তাই এর অবকাঠামোকে দখলমুক্ত রাখা এবং যাত্রীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। তারা দ্রুত নজরদারি বৃদ্ধি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব এবং কিছু অসাধু ব্যক্তির প্রশ্রয়ে এসব অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছে। ফলে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

দখলমুক্ত ও নিরাপদ মেট্রোরেল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাত্রী ও সচেতন নাগরিকরা।