১৩৭

শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে পাকুন্দিয়া পৌর সদরের টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেলে টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামের মধ্যে একটি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। খেলা চলাকালীন খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সহিংসতায় রূপ নেয় এবং রাত পর্যন্ত উত্তেজনা চলতে থাকে। সেই ঘটনার জেরে শনিবার সকাল থেকে দুই গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আবারও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর হামলা চালায় এবং কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ইটের আঘাতে ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হন। এছাড়া দুই পক্ষের আহত অন্তত ১৬ জনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সংঘর্ষের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পাকুন্দিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম আরিফুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার সময় আমিসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং কাউকে আটক করা হয়নি। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এখনও সংঘর্ষের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা কাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি এখন থমথমে থাকলেও শান্ত রয়েছে।