১২৭

নিজের স্বামীকে আপন মায়ের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখার দাবি করে এক নারীর করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট ঘিরে তীব্র সমালোচনা ও ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় ওই ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী এবং তার জন্মদাত্রী মায়ের মধ্যে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে অসামাজিক ও অনৈতিক সম্পর্ক বজায় ছিল।

যেভাবে শুরু ও দাম্পত্য জীবন

ভুক্তভোগী নারী জানান, তার বয়স যখন ১৫ বছর, তখন এক তরুণের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুই বছর পর তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তারা একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে প্রথম সন্তানের জন্মের পর পারিবারিকভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

দীর্ঘদিনের এই দাম্পত্য জীবনে তাদের ঘরে চারটি সন্তান জন্ম নেয়। এতদিন পরিবারের সবার চোখে তাদের দাম্পত্য জীবন বেশ স্বাভাবিক ও সুখের বলেই মনে হতো।

ঘটনার আকস্মিকতা ও সত্য প্রকাশ

ঘটনার দিন ওই নারী বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে থেকে ঘুরে এসে নিজের বাবার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি যা দেখেন, তার জন্য তিনি মানসিকভাবে একেবারেই প্রস্তুত ছিলেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিজের স্বামী ও মাকে ঘরের ভেতরে অত্যন্ত আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেন তিনি।

ঘটনার পরপরই স্বামীকে চেপে ধরলে তিনি স্বীকার করেন যে, স্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় ও বিয়ের আগে থেকেই শাশুড়ির সঙ্গে তার এই গোপন সম্পর্ক চলে আসছিল—যার স্থায়িত্ব প্রায় ২২ বছর!

বাড়ি থেকে বিতাড়ন ও পিতৃত্ব নিয়ে সন্দেহ

নারীর অভিযোগ, এই অনৈতিক ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর তার মা বিন্দুমাত্র অনুশোচনা প্রকাশ করেননি, বরং ক্ষিপ্ত হয়ে তাকেই ঘর থেকে বের করে দেন।

এই চরম সত্য জানার পর ওই নারী দাবি করেন, তার বিয়ের পর থেকে বিগত বছরগুলোতে তার মায়ের গর্ভে যেসব সন্তান জন্ম নিয়েছে, তাদের পিতৃত্ব নিয়েও এখন তার মনে তীব্র সন্দেহ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবারে বিচ্ছেদ ও বর্তমান অবস্থা

গোটা ঘটনার বিষয়টি নারী তার বাবাকে জানালে ক্ষোভে ও দুঃখে বাবা তার স্ত্রীকে তাৎক্ষণিক ডিভোর্স (তালাক) দেন। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী নারীও প্রতারক স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টেনে চার সন্তানকে সাথে নিয়ে আলাদাভাবে বসবাস করতে শুরু করেছেন।