১৪৯

ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নের বিলেরঘাট এলাকায় এক নারীকে হত্যা করে ধানখেতে লাশ পুঁতে রাখার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (রাত সাড়ে ৯টা) স্থানীয় বাসিন্দারা ধানখেতে অর্ধপোতা অবস্থায় লাশটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামী পলাতক রয়েছেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, হত্যার পর লাশ গোপন করতেই মাটিচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

নিহত নারী আশুরা বেগম (৪৫) বিলেরঘাট এলাকার সুতার গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তাঁর প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্বামীর মৃত্যুর পর বাবলু হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন আশুরা বেগমকে তাঁর তৃতীয় স্বামী বাবলুর সঙ্গে দেখা গেছে। পরে রাতেই বাড়ির পাশের ধানখেতে তাঁর লাশ অর্ধপোতা অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনার পর থেকে বাবলু হোসেনকে এলাকায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

তুলসীগঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য তুষার হোসেন বলেন, “এভাবে লাশ পুঁতে রাখা একজনের পক্ষে সম্ভব নয়। দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা জরুরি।”

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমান বলেন, “নারীকে হত্যার পর লাশ গোপনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের কাজ চলছে।”

লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল এর মর্গে পাঠানো হয়েছে।