৭৫

গত ৯ এপ্রিল কিংবদন্তির মানুষ আলহাজ্ব আবুল হাসেম সাহেবের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯২২ সালে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চাপিতলা গ্রামে তার জন্ম। তার পিতার নাম বদিউল আলম মাতার নাম অজিফা খাতুন।

তিনি বাংলার হাতেম তাই আবার কারো কাছে বাংলার হাজী মুহাম্মদ মহসিন নামে পরিচিত। কেবলমাত্র মুরাদনগর হোমনা উপজেলায় তিনি প্রায় চল্লিশটির মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেছেন এছাড়া ও ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলায় এবং যশোহর এবং দিনাজপুরে ও তিনি কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দেশের অসংখ্য মসজিদ মাদ্রাসায় রয়েছে তার বিশাল অংকের অনুদান। অসংখ্য দরিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে তিনি লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।

তার সর্ব প্রথম প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কোম্পানীগঞ্জ বডিউল আলম উচ্চ বিদ্যালয় । কোম্পানিগঞ্জ বদিউল আলম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ চাপিতলা অজিফা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয় বাখর নগর হাশেমিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা মুরাদনগর উপজেলা সদরে নুরুন নাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রামকৃষ্ণ পুর শহীদ কামাল স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় সহ অনেক উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান তিনি গড়ে তুলেছেন।

এই মহান সমাজ সেবক ১৯৭০ সালে মুরাদনগর ও হোমনা থেকে এমসিএ নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন কুমিল্লাবাসীর জননন্দিত রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশ সরকার সমাজ সেবার জন্য একুশে পদকে ভূষিত করেন। তিনি ছিলেন কুমিল্লাবাসীর জননন্দিত সাহসী সন্তান। আজকের আধুনিক মুরাদনগরের সত্যিকারের রুপকার জনাব আলহাজ্ব আবুল হাশেম। তিনি তার কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করে মুরাদ নগরের গরিব দুঃখী মানুষের লেখাপড়ার পাশাপাশি মেধা বৃত্তি প্রদান করে অসংখ্য করি ছাত্রদের ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার ও অন্যান্য উচ্চ শিক্ষা অর্জনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

সত্যিকার অর্থে তিনি ছিলেন একজন নির্লুব নির্মোহ মহান মানুষ। আমরা মুরাদনগর উপজেলার মানুষ তার কাছে মহা ঋণী। তার পঞ্চম মৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে দোয়া করছি তাকে যেন জান্নাতের উঁচু মাকামে অধিষ্ঠিত করেন আমিন সুম্মা আমীন।

শ্রদ্ধায় ও ভালোবাসায় স্বরণ করেন রেজাউল করিম

যুগ্ন সাধারন সম্পাদক কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদল সাবেক