১৭

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহী জাপান। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে সহযোগিতা বাড়িয়ে ঢাকা ও টোকিওর বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে চায় দেশটি। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রতি জাপানের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তাকাইচি।

বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক সহযোগিতাকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। এ সময় জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেয়। অনুষ্ঠানে দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে তারেক রহমান গার্ড পরিদর্শন করেন।

আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ সফরসঙ্গী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। পরে শুরু হয় দুই নেতার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।

এদিকে, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাওয়ার দীর্ঘ সড়কের দুই পাশে বাংলাদেশ ও জাপানের জাতীয় পতাকা টানানো হয়।

চার দিনের জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের কথা রয়েছে। পাশাপাশি দেশটির ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

সফরে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, গুরুত্বপূর্ণ খাতে জাপানের সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের স্বার্থ ও অবস্থান নিয়ে আলোচনা গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঢাকা-টোকিও সম্পর্কের এই উদ্যোগ দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক অংশীদারত্বকে আরও এগিয়ে নেওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।