৫৮

রাজধানীর ভেতরে না ঢুকেই এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাতায়াতের সুযোগ তৈরি করতে ৮৯ কিলোমিটারের বৃত্তাকার সড়ক প্রকল্পের বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করার নির্দেশ।

জাতীয় ডেস্ক

ঢাকা: রাজধানী ঢাকার তীব্র যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজীকরণে প্রস্তাবিত ‘সার্কুলার রোড’ বা বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রকল্প সম্পর্কিত এক বিশেষ পর্যালোচনা সভায় সরকারপ্রধান এই নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপ প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে সমন্বিতভাবে বিদ্যমান পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে নির্মাণকাজের গতি বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন। সভায় প্রকল্পের বর্তমান সমস্যা চিহ্নিতকরণ, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং কাজ শেষ করতে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ‘টাইমলাইন’ নির্ধারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রকল্পের স্থানভিত্তিক নকশা অনুযায়ী, প্রায় ৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বৃত্তাকার সড়কের একটি অংশ আবদুল্লাহপুর রেলগেট থেকে শুরু হয়ে ধউর, বিরুলিয়া, গাবতলী, বছিলা, হাজারীবাগ, সোয়ারীঘাট, কদমতলী, তেঘরিয়া, পোস্তা, ফতুল্লা, চাষাড়া, শিমরাইল হয়ে ডেমরা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। অন্য অংশে সড়কটি আবদুল্লাহপুর রেলগেট থেকে তেরমুখ, পূর্বাচল ও বেরাইদ হয়ে ডেমরায় যুক্ত হবে। বর্তমানে রায়ের বাজার, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর অংশে নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।

প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলে দূরপাল্লার বা নিত্যদিনের যানবাহনগুলো রাজধানীর মূল শহরের ভেতরের যানজটপূর্ণ সড়ক ব্যবহার না করেই ঢাকার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে অনায়াসে যাতায়াত করতে পারবে।

উচ্চপর্যায়ের এই পর্যালোচনা সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বোতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।