২০৭

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশে এখনো তেলের কোনো সংকট তৈরি হয়নি। তবে উচ্চমূল্যে তেল ও গ্যাস কতদিন এভাবে চালানো সম্ভব হবে, তা চিন্তার বিষয়। তাই শিগগিরই তেলের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। সরকারের প্রথম লক্ষ্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

শুক্রবার বিকেলে কেইপিজেড ইয়ংওয়ান করপোরেশন মিলনায়তনে চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানির প্রধান উৎস ওই অঞ্চলে সংঘাত চলায় সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটছে। তবে সরকার উচ্চমূল্যে বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে সরবরাহ সচল রেখেছে।

মন্ত্রী জানান, উচ্চমূল্যে জ্বালানি কেনার ফলে সরকারি তহবিলের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কঠোর সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করেছে এবং এর অংশ হিসেবে মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৩০ শতাংশ জ্বালানি তেল রেশনিং করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারি তহবিল রক্ষা ও জনস্বার্থে জ্বালানির মূল্য নিয়ে সহসা একটি সিদ্ধান্ত আসতে পারে। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বকেই প্রভাবিত করছে। দেশের অধিকাংশ জ্বালানি মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে, তাই সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ বজায় রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে।

পুঁজিবাজার প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করা হবে এবং ব্যাংক ঋণনির্ভর বিনিয়োগের পরিবর্তে পুঁজিনির্ভর বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা হবে।