৪৪

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের পরপরই শুরু নতুন জল্পনা; গেম থিওরি ও পূর্বাভাসের ভিত্তিতে রাজনীতির মাঠে নামার সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষক।

স্পোর্টস ডেস্ক: ফুটবল ক্যারিয়ারে সম্ভাব্য সব শিরোপা জয়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। তবে সবুজ গালিচাকে বিদায় জানানোর পরই ৮ বারের ব্যালনের ডি’অর বিজয়ী এই তারকাকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন ও নজিরবিহীন এক রাজনৈতিক গুঞ্জন। ফুটবল ছাড়ার পর মাঠের বাইরে রাষ্ট্র পরিচালনায় দেখা যেতে পারে মেসিকে; ভবিষ্যতে হতে পারেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম ইয়াহু স্পোর্টসের এক বিশেষ প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে পেশাদার রাজনীতিতে প্রবেশ করে একপর্যায়ে আর্জেন্টিনার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদেও বসতে পারেন ৩৭ বছর বয়সী এই ফুটবল জাদুকর।

এই পূর্বাভাসটি সামনে এনেছেন বিশিষ্ট কানাডীয় শিক্ষাবিদ ও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ‘প্রফেসর জিয়াং’। সম্প্রতি মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক নিকোলাস কেন ডি বালিনথাজির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারমূলক আলোচনায় তিনি দাবি করেন, বিজ্ঞানভিত্তিক ‘গেম থিওরি’ ও বৈশ্বিক রাজনৈতিক কৌশলের গভীর বিশ্লেষণ করে তিনি মেসির রাজনীতিতে আসার সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছেন।

জিয়াংয়ের দাবি অনুযায়ী, রাজনৈতিক ময়দানে এলে মেসি দীর্ঘ সময়—এমনকি প্রায় দুই দশক পর্যন্ত ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেন। তবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মেসির মেয়াদকালীন কিছু সিদ্ধান্ত বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলেও সতর্ক করেন এই বিশ্লেষক। পাশাপাশি, মেসি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হলেও আর্জেন্টিনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও ডানপন্থী নেতা হাভিয়ের মিলেই পর্দার আড়াল থেকে রাজনৈতিক প্রভাব ধরে রাখবেন বলে অনুমান তাঁর।

তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, আপাতত এই গুঞ্জনটি কেবলই একজন পূর্বাভাষকের বৈজ্ঞানিক দাবির মধ্যে সীমাবদ্ধ। লিওনেল মেসি নিজে কিংবা তাঁর মুখপাত্ররা রাজনীতিতে যোগ দেওয়া বা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা বা আগ্রহের কথা প্রকাশ করেননি।