১১৪

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় নিজ বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকি থেকে গীতা রানী (৪৫) নামের এক স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের একদন্ত বারইপাড়া গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নৃশংস এই ঘটনাটি ঘিরে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত গীতা রানী ওই গ্রামের নন্দ দাসের স্ত্রী এবং চাচকিয়া ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন।

ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গীতা রানীর স্বামী চাকরির সুবাদে ঢাকায় অবস্থান করায় তিনি বাড়িতে একাই থাকতেন। ধারণা করা হচ্ছে, গত বুধবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে। টের পেয়ে গেলে গীতা রানীর সঙ্গে দুর্বৃত্তদের ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকিতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার সকালে গীতা রানীকে বাড়িতে না পেয়ে স্থানীয় ও স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বেলা ১১টার দিকে বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকিতে তার মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশের বক্তব্য

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও জানান, আলামত দেখে প্রাথমিকভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। তবে কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কীভাবে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।