১৬

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বেতন বৃদ্ধির দাবিতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় টানা তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলন করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং পুলিশের টিয়ারশেল ব্যবহারে ফতুল্লার কাঠেরপুল এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

সকাল ১০টার দিকে ফতুল্লার শিবু মার্কেট ও আশপাশের এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা আন্দোলনে যোগ দেন। একপর্যায়ে কয়েকটি কারখানা থেকে কয়েক হাজার শ্রমিক একযোগে বেরিয়ে এসে বিক্ষোভে অংশ নেন। এতে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া এলাকাতেও সকাল থেকে সতর্ক অবস্থানে ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চাষাড়া মোড় ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি সেখানে বিজিবির দুটি গাড়িও রাখা হয়।

তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রমিকেরা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কে প্রবেশ করতে পারেননি। সড়কের প্রবেশমুখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছিলেন। চাষাড়া এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিল্পাঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁরা সতর্ক রয়েছেন।

এর আগে সোমবার ও মঙ্গলবারও একই দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পোশাকশ্রমিকেরা। এতে চাষাড়া থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। টানা দুই দিনের কর্মসূচিতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশের বক্তব্য দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী।