দীর্ঘ অপেক্ষার পর পর্যটকদের জন্য খুলেছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। রোববার (১ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে নতুন পর্যটন মৌসুম। তবে দ্বীপ ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হলেও আপাতত চালু হচ্ছে না কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটের জাহাজ চলাচল। ফলে মৌসুমের শুরুর কয়েক দিন পর্যটকদের যাতায়াতের জন্য ট্রলার কিংবা স্পিডবোটের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ হলে আগামী ৫ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে এই রুটে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে। সে ক্ষেত্রে ১ থেকে ৫ নভেম্বরের মধ্যে যারা সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যেতে চান, তাদের বিকল্প নৌযানে যাতায়াতের বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।

তবে ট্রলার বা স্পিডবোটে দ্বীপে যাতায়াতের ক্ষেত্রে আবহাওয়া, সমুদ্রের অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি গুরুত্বপূর্ণ। তাই যাত্রার আগে নৌযান চলাচলের অনুমোদন ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত নির্দেশনা জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। পর্যটকদের স্বাগত জানাতে দ্বীপের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁগুলোও প্রস্তুত করা হয়েছে।

জাহাজ চলাচল শুরুতে যত জটিলতা

পর্যটন মৌসুম শুরু হলেও জাহাজ চলাচলের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে জটিলতা রয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পেয়েছে তিনটি জাহাজ। তবে এখনো নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ভয়েজ লাইসেন্স এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) রুট পারমিট পাওয়া যায়নি। জাহাজ চলাচলের সময়সূচিও চূড়ান্ত হয়নি।

এ ছাড়া পর্যটকদের টিকিট বিক্রির জন্য ট্যুরিজম বোর্ডের সফটওয়্যারও এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এসব প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় জাহাজ চলাচল শুরুর তারিখ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে ৫ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে জাহাজ চলাচল শুরু করা যাবে।