ভারতের বিহার রাজ্যের জেহানাবাদ জেলায় এক নারীকে কুড়াল দিয়ে কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তার দেবরের বিরুদ্ধে। হত্যার পর নিহত নারীর বিচ্ছিন্ন মাথা বাড়ির সামনের একটি গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, জেহানাবাদের পার্স বিঘা থানা এলাকার ইমাদপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত নারীর নাম অংশু দেবী (২৫)। তিনি ওই এলাকার ধর্মেন্দ্র কুমারের স্ত্রী।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, অভিযুক্ত দেবর কুনাল কুমার চরম মাদকাসক্ত। ঘটনার সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা মাঠে কাজে ব্যস্ত থাকায় অংশু দেবী বাড়িতে একাই ছিলেন। এ সময় কুনাল বাড়ি ফিরে খাবার দাবি করলে তা দিতে কিছুটা দেরি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কুনাল ঘরে থাকা কুড়াল দিয়ে ভাবির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই অংশু দেবীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর কুনাল পালিয়ে না গিয়ে আশপাশেই অবস্থান করছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে ভিড় জমায় এবং দ্রুত পুলিশে খবর দেয়।

খবর পেয়ে পার্স বিঘা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তমাখা কুড়ালটি জব্দ করে এবং অভিযুক্ত কুনাল কুমারকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে খাবার দেওয়া নিয়ে বিবাদের কথা উঠে এলেও ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ বা পারিবারিক বিরোধ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।