ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। ৭৯ বছর বয়সি এই নেতাকে মেরিল্যান্ডের ‘ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে’ ভর্তি করা হয়েছে—এমন দাবি ঘিরে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আলোচনা শুরু হয়। তবে এসব গুঞ্জনকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস।

শনিবার (৪ এপ্রিল) প্রেসিডেন্টের দৈনন্দিন সূচিতে ‘এক্সিকিউটিভ টাইম’ (ব্যক্তিগত সময়) বরাদ্দ ছিল। এরপর হোয়াইট হাউস থেকে ‘লিড’ ঘোষণা করা হয়, যার অর্থ ওই দিন প্রেসিডেন্ট আর জনসম্মুখে উপস্থিত থাকবেন না। সপ্তাহান্তে ট্রাম্পের মতো সক্রিয় একজন নেতার হঠাৎ অনুপস্থিতি এবং একটি অনলাইন পোস্টকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব আরও ছড়িয়ে পড়ে।

গুজবে দাবি করা হয়, ওয়াল্টার রিড হাসপাতালের আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং প্রেসিডেন্টকে সেখানে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে। কিন্তু হোয়াইট হাউসের র‍্যাপিড রেসপন্স টিম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ জানায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সুস্থ আছেন এবং এমন কোনো ঘটনার সত্যতা নেই। তারা এসব দাবিকে “ষড়যন্ত্র তত্ত্ব” বলে অভিহিত করে।

হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চুং এক বিবৃতিতে জানান, ট্রাম্প ইস্টার ছুটির সময় পুরোটা ওভাল অফিসে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ওয়েস্ট উইংয়ের সামনে মেরিন সেন্ট্রির উপস্থিতিও নিশ্চিত করে যে প্রেসিডেন্ট ভবনের ভেতরেই অবস্থান করছেন এবং নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।

ফ্যাক্টচেক অনুযায়ী, হাসপাতালের সামনে কোনো অতিরিক্ত নিরাপত্তা, প্রেসিডেন্টের গাড়িবহর বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তার হাসপাতালে ভর্তির দাবিটি নিশ্চিতভাবে গুজব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তবে ৭৯ বছর বয়স হওয়ায় ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়ে জনমনে আগ্রহ ও আলোচনা স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে।